আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘পুলিশের মোরালিটি ভেঙে যাওয়ার কারণে তারা মিথ্যা মামলা নিতে বাধ্য হয়েছে। পুলিশ মামলা নেবে না—এমন কথা বলার সাহস না থাকায় বহু মিথ্যা মামলা হয়েছে।’
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও আইন বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এই সভায় সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ও জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫ প্রণয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘আইসিটি আইনের অধীনে করা অধিকাংশ মামলাই আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। যেসব মামলার চার্জশিট হয়েছে আইন মন্ত্রণালয় সেসব মামলা প্রত্যাহার করতে পারে। তবে পুলিশ সম্পর্কিত বিষয়ে আমাদের সাংবিধানিকভাবে কিছু করার নেই।’
সভায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের মামলার প্রসঙ্গ উঠলে ড. নজরুল জানান, নতুন সাইবার প্রোটেকশন আইনের ‘রোহিতকরণ ধারা’ অনুসারে, পূর্ববর্তী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে দায়ের করা মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এক শ্রেণির মানুষ মামলা করাকে ব্যবসার সুযোগ হিসেবে দেখে। আইনজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা এসব কাজে জড়িয়ে পড়লে সমস্যা আরও জটিল হয়। তবে পৃথিবীর কোনো দেশেই এমন আইন নেই যে কেউ মামলা করতে পারবে না।’
সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য মিথ্যাচার করা হয়েছে, কিন্তু আমরা কেউই কোনো মামলা করিনি। অথচ সাংবাদিকদের মধ্যেই বিভক্তি রয়েছে—প্রায় প্রতিটি জায়গায় দু’টি করে কমিটি। এভাবে চললে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।’
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘সাংবাদিকদের জামিন প্রদান বা প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় কোনো হস্তক্ষেপ করছে না।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকারের দুর্বলতা থাকলেও তা একটি সেবক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু যাদের অবৈধ তদবির রাখি না, তারাই আমাকে ভারতীয় দালাল আখ্যা দেয়। এমনকি ৪০ বছর আগের ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুঁড়ে বের করার অপচেষ্টা করে। তবুও আমি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাইনি, মামলা করাও তো দূরের কথা।’
| ফজর | ০৪:৫৪-০৬:০৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১২:০৯-০৪:২৫ মিনিট দুপুর |
| আছর | ০৪:২৬-০৬:০৬ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ০৬:১০-০৭:২১ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ০৭:২২-০৮:৪৯ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |