ন্যাটো সম্মেলনে বুধবার দেয়া এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি এবং ইসলামিক স্টেট (আইএসআইএস) গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই বিষয়ে ভুল তথ্য দিয়েছেন বলে সিএনএনের তথ্য যাচাই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ট্রাম্প একইসঙ্গে তার পুরনো দাবি পুনরাবৃত্তি করেন যে, সপ্তাহান্তে মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ হয়েছে। তবে সিএনএনের পূর্ববর্তী রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির মূল কাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়নি। হামলায় কর্মসূচিটি কয়েক মাস পিছিয়ে গেছে মাত্র, কয়েক বছরের নয়। এ নিয়ে সিএনএনে একটি ফ্যাক্ট চেক রিপোর্ট লিখেছেন সাংবাদিক ড্যানিয়েল ডেল। তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও হামলার প্রভাব মূল্যায়নের জন্য তথ্য সংগ্রহ করছে, তাই ভবিষ্যতের মূল্যায়ন ভিন্ন হতে পারে।
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প অতীতে বলেছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ তিনি ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে’ বন্ধ করতে পারবেন। পরে এক সাংবাদিক তাকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, তিনি পরে বলেছিলেন তার এ মন্তব্য ছিল ‘বিদ্রুপাত্মক’। তখন ট্রাম্প বলেন, অবশ্যই সেটা বিদ্রুপ ছিল। সাংবাদিক ড্যানিয়েল ডেন বলেছেন, বাস্তবতা হলো এটি মোটেও বিদ্রুপ ছিল না। সিএনএন তাদের অনুসন্ধানে ৫৩টি ভিন্ন ক্ষেত্রে ট্রাম্পকে পুরোপুরি গভীরভাবে এবং বার বার বলতে দেখেছে তার বক্তব্য। সেখানে তিনি বলেছেন, আমি প্রেসিডেন্ট হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধ শেষ করব।
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ে ট্রাম্প বলেন, আমাদের দেশে এখন কোনো মূল্যস্ফীতি নেই। তিনি ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের সমালোচনাও করেন, কেন তিনি সুদের হার কমাচ্ছেন না। বাস্তবতা হলো ট্রাম্পের দাবি অসত্য। যুক্তরাষ্ট্রে মে মাসে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ছিল শতকরা ২.৪ ভাগ, যা এপ্রিলের শতকরা ২.৩ ভাগের তুলনায় কিছুটা বেশি। এপ্রিলের হার ছিল ২০২১ সালের পর সর্বনিম্ন।
মাসিক হিসেবে মূল্যস্ফীতি ছিল মে মাসে শতকরা ০.১ ভাগ। এপ্রিলে শতকরা ০.২ ভাগ। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রে একেবারে ‘শূন্য’ মূল্যস্ফীতি নয়, বরং একটি নিয়ন্ত্রিত কিন্তু বিদ্যমান হার রয়েছে।
আইএসআইএস নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য- আমরা মাত্র কয়েক সপ্তাহেই আইএসকে পরাজিত করেছিলাম। আমাকে বলা হয়েছিল এতে ৪-৫ বছর লাগবে। বাস্তবতা হলো- আসলে আইএস খিলাফত পুরোপুরি ধ্বংস হয় ট্রাম্পের মেয়াদের দুই বছরের বেশি সময় পর, ২০১৯ সালে। অর্থাৎ, যুদ্ধ সপ্তাহ নয়, বরং বছর লেগেছে।
| ফজর | ০৪:৫৪-০৬:০৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১২:০৯-০৪:২৫ মিনিট দুপুর |
| আছর | ০৪:২৬-০৬:০৬ মিনিট বিকাল |
| মাগরিব | ০৬:১০-০৭:২১ মিনিট সন্ধ্যা |
| এশা | ০৭:২২-০৮:৪৯ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৩০ মিনিট দুপুর |